Logo

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলেছে ৫ কোটি ৭৮ লাখ টাকা

প্রকাশিত:শনিবার ১৯ আগস্ট ২০২৩ | হালনাগাদ:সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ১৩৮৫জন দেখেছেন
রাজনগর বার্তা রিপোর্ট ::

Image

কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলেছে ৫ কোটি ৭৮ লাখ ৯ হাজার ৩২৫ টাকা। তিন মাস ১৩ দিন পর শনিবার দিনব্যাপী গণনা শেষে রাত ৯টার দিকে টাকার এ হিসাব পাওয়া গেছে।

সকাল সোয়া ৮টার দিকে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও দানবাক্স খোলা কমিটির আহ্বায়ক কাজী মহুয়া মমতাজের তত্ত্বাবধানে দানবাক্সগুলো খোলা হয়। এসময় জেলা প্রশাসক ও পাগলা মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রাসেল শেখ উপস্থিত ছিলেন। 

সিন্দুকের টাকাগুলো প্রথমে বস্তায় ভরা হয়। আটটি দানবাক্সে এবার পাওয়া গেছে ২৩ বস্তা টাকা।
পরে দ্বিতীয় তলার মেঝেতে ঢেলে শুরু হয় গণনা। দিনভর গণনা শেষে পাওয়া গেছে এ টাকা। এবারের টাকার পরিমাণ এর আগের বারের চেয়ে ১৯ লাখ ১ হাজার ৬৩৬ টাকা বেশি।

কিশোরগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) এটিএম ফরহাদ চৌধুরী রাত ৯টার পর এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে চলতি বছরের ৬ মে পাগলা মসজিদের দানবাক্স খুলে পাওয়া গিয়েছিল ৫ কোটি ৫৯ লাখ ৭ হাজার ৬৮৯ টাকা। এছাড়াও পাওয়া যায় বৈদেশিক মুদ্রা, সোনা ও রূপা।

টাকা গণনা কাজে ২০৬ জনের প্রায় ১৩ ঘণ্টা সময় লেগেছে বলে জানিয়েছেন দানবাক্স খোলা কমিটির আহ্বায়ক অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কাজী মহুয়া মমতাজ। এবারের টাকার পরিমাণ আগের রেকর্ড অতিক্রম করেছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

টাকা গণনার কাজে মাদ্রাসার ১১২ জন ছাত্র, ব্যাংকের ৫০ জন স্টাফ, মসজিদ কমিটির ৩৪ জন ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ১০ জন সদস্য অংশ নেন। এসময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) এ.টি.এম ফরহাদ চৌধুরী, রেভিনিউ ডেপুটি কালেক্টর শেখ জাবের আহমেদ, সিনিয়র সহকারী কমিশনার শেখ জাবের আহমেদ, সিনিয়র সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাশিতা-তুল ইসলাম, তানিয়া আক্তার, নাবিলা ফেরদৌস, মাহমুদা বেগম সাথী, ফাতেমা-তুজ-জোহরা, মসজিদের পেশ ইমাম মুফতি খলিলুর রহমান ও রূপালী ব্যাংকের সহকারী মহাব্যবস্থাপক (এজিএম) রফিকুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর